মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সর্বোচ্চ চার্জ বন্ধের দাবি

২০ এপ্রিল, ২০২০ ২১:৪০  
মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় দুর্যোগকালীন সময়েও সর্বোচ্চ চার্জ আদায় দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারীতে দেশ যখন বিপর্যস্ত সরকার ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৪.৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন যে যেভাবে পারছে মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই সময় সর্বোচ্চ লেনদেনকারী মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের চার্জ পূর্বের ন্যায়ই বহাল রেখেছেন। তার ভাষ্য, গত বছর নভেম্বরে মাসিক লেনদেন হয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। ১.৮৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ নিলে সার্ভিস চার্জ বাবদই আদায় ১ শত ৩২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এ সেবা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিটিআরসি কেউই রাজস্ব ভাগাভাগির অর্থ পায় না। কেবলমাত্র অপারেটররা ম্যাসেজ চার্জ বাবদ অর্থ পেয়ে থাকেন। সরকার ইতিমধ্যে শ্রমিকদের বেতন দেয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে উৎসাহিত করেছেন।  অথচ একজন শ্রমিকের ৫ হাজার টাকা এই সেবা থেকে উত্তোলন করতে ১০০ টাকার সাথে রিটেইলারদের অতিরিক্ত ২০/৩০ টাকা যুক্ত হয়েছে। অথচ বর্তমানে এসকল ক্ষুদ্র পরিবারে ১২০ টাকায় একদিনের খাবার হয়। তিনি আরো বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইনে এমনটিই বলা রয়েছে। দুর্যোগের এই সময়ে অর্থ লেনদেনের বড় ভরসা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। অথচ এই সেবায় সর্বোচ্চ চার্জ আদায় কতটুকু ন্যায়সঙ্গত তা জাতির পাশাপাশি সরকারেরও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। আমরা করোনা শনাক্ত হবার সময়েই দাবি কেেরছিলাম ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত এই সেবার চার্জ মুক্ত করার জন্য। কিন্তু চার্জ মুক্ত করা তো দূরের কথা এক পয়সাও চার্জ কমানোর কোন নজির আমরা লক্ষ্য করি নাই।